বালিহাঁসের পায়েও শেকল

সকল কবিতা By 6 months ago No Comments
5
(1)

অতএব আসুন নতুন করে প্রেমে পড়ি,
বিবর্ণ জীবনে কিছুটা নতুন রং লাগুক আবার,
শুকনো মরুতে শ্রাবণের ধারা নামুক,
আমাদের হাত ধরে থাক পুরাতন হাত,
সুখেরা চক্রাকারে ঘুরুক শনির বলয়ের মতো।

ক্ষীরের পুতুল
পা থেকে মাথা, অমৃত সকল
অমৃতে অরুচি আমার নেই, ত্রাতা প্রেম দাও।
আমরাতো প্রেমে পড়তেই পারি।

অযথা জানতে চেয়ো না, “পাখি তুমি ফেরো কোন নীড়ে?”
শিকারী বেড়াল সেও স্বগর্বে কূহরে ফেরে।
মুখে তার নীড়হারা পাখিদের ছানা।
সব নীড় নীড় নয়, কিছু কিছু জেলখানা।
তবুও কিছু গল্প থাকে, বালিহাঁসের পায়েও শেকল!
যদিও আকাশ খোলা,
আকাশ কোনো ঠিকানা কি পারে দিতে ?
নীড়ের খোঁজে বালিহাঁস ধরণীতে,
মন্দের ভালো শেকল খোলেনি সে, নূপুর ভেবেছে।

শোনো বন্ধুবর, অযথাই মরে যেতে নেই,
কখনোই মরে যেতে নেই এবং
মরে যেতে নেই, বাঁচো।
কেউ যারা পাখি হয় তারা সব অভাগার দল,
বেড়ালের প্রাকৃতিক খাদ্য সকল।

কেন পাখি ফেরো নীড়ে, প্রশ্ন করো না।
যেখানে, মন খুলে হাসলেও রক্তবমি হয়,
বুঝে নিয়ো ক্ষতটা কতোটা গভীর।
অনেক দিনের পুরনো সে জমাটি সংক্রমণ,
কোনো অশ্বিনীর পায়নি প্রলেপ।
সত্য বটে ক্রমাগত আঘাতে টেকে না প্রলেপের বাঁধ।
অনুযোগ, অভিযোগ ধূমায়িত হয়ে ক্ষোভ হয়ে গেছে,
তাই তার অবয়বে ভিন্ন আকাশের সাধ।
অথবা সে জানতোই না,
পৃথিবীতে আরও একবার আসতে হলে –
পার হতে হবে বিরুদ্ধ স্রোত।

Read More ->>> এইসব মহামারী

সম্পর্কে জানুন

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 1

No votes so far! Be the first to rate this post.

Author

তন্ময় সাহা(১৯৮৩)–জন্ম বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসাবে খ্যাত কুষ্টিয়া জেলায়, কুষ্টিয়ায় বেড়ে ওঠা, শৈশব কেটেছে, কৈশোরেও তার কুষ্টিয়া আর গড়াই নদীর মাখামাখি। তারপর লেখাপড়া ও কর্মসূত্রে বহুদিন ধরে খুলনায় বসবাস। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োটেকনোলজি এন্ড জিনেটিক ইন্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক, বায়োটেকনোলজিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা হতে। এরপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএ (এইচ আর এম) সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি ‘দি ফ্লেচার স্কুল অফ ল’ এন্ড ডিপ্লোম্যাসি; টাফ্ট ইউনিভার্সিটি কর্তৃক ডিজিটাল ফিন্যান্স প্যাকটিশনার হিসাবে সনদপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি উপপরিচালক হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনায় কর্মরত আছেন। লেখালিখি চলেছে বিক্ষিপ্তভাবে, শখে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যুক্ত ছিলেন নাট্যদল ‘থিয়েটার নিপূণ’ এবং বিজ্ঞান পত্রিকা ‘বায়োটকের’ সাথে। বই, বাংলা সাহিত্য হলো তার ভালোবাসা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া প্রতিযোগীতায় স্কুল পর্যায়ে পাওয়া সার্টিফিকেট আর উপহারে পাওয়া বইগুলোকে আজও অতি যত্নে রেখেছেন, নিজস্ব বুকসেলফে। মুলতঃ কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে। বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতাগুলি সহ সোস্যালমিডিয়া, টুকরো কাগজ আর ডাইরিগুলোর পাতা থেকে অদুর অতীতে লেখা নিজের পছন্দের বেশ কিছু কবিতা মলাটবন্দী করে, আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন হোরাসের চোখ, বিবিধ ঘোড়সওয়ার ও কালো মেম কাব্যগ্রন্থে।

No Comments

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!