Category

তন্ময় সাহা

কবি তন্ময় সাহা এর সমগ্র লিখনি পেতে আমরা আছি আপনার সাথে। কবি তন্ময় সাহা রচনা সমগ্র দেখুন এবং পড়ুন।

মুখোমুখি বসে মুখরোচক চানাচুর

ভালোবাসাটার দায় পড়ে গেছে জমে জমে ক্ষীর-টি হবার! ইদানীং বিক্ষোভে ইট হয়, জবাবেও পাটকেল হয়- জমে ইট, পাটকেলও জমে; জমে জমে শীলা হয়, ভালোবাসা ঝরে; ঝরে হয় রক্ত জমাট! শীত আর গ্রীষ্মের আলাদা হিমালয়! বায়বীয় ভালোবাসা মনে মনে উষ্মা ছড়ায়। ভালোবাসাটার দায় পড়ে গেছে জমে জমে ক্ষীরটি হবার! পাথুরে এলাকায় ছড়ানো পাথরগুলো, মরুভূমির তপ্ত ধুলো, বৃষ্টি কাদামাটি অথবা নদীর গভীরে…

জলের মায়ায়

ঋষিকুল এবং আমজনতা; রায়ে অথবা ভালোবাসায় নদীকে ‘মা’ বললেন। সুজলা সুফলা দেশ নদীমাতৃক হলো। স্বদেশ আগে নদী-বিধৌত ছিল। মা চিরদিন নদী ছিলেন; নদী চিরদিন মা ছিলেন; মা নদী ডুবেছেন জলের মায়ায়। এছাড়াও দেখুন: বিষন্ন গোহালে বিজ্ঞাপন

মনে জুজুর মনকষাকষি

রানওয়ে আপলোড হচ্ছে ইচ্ছেমতো; বুঝি আর প্রেম নেই! ব্যক্তিগণ ট্র্যাকেও দৌড়ানো হচ্ছে না ইদানীং। জগৎ জুড়ে ট্র্যাক; সামনে ম্যারাথন। মনে জুজুর মনকষাকষি! এছাড়াও দেখুন: জলের মায়ায় বিজ্ঞাপন

নদী হবে

যে নদী স্রোতস্বিনী তাকে কেউ ক্রোধী বলে না। চলে নদী সর্পিল পথ এঁকে এঁকে। দুইধারে সভ্যতা, ফসলের বিশেষ বিপ্লব- ঝড়ো গতি স্বাভাবিক, রুঢ়তাও অমঙ্গল নয়। আজন্ম সংগ্রামী নদী স্বাভাবজ তার ‘রুঢ়তাকে’ হাসিমুখে প্রকৃতিই দিয়েছে প্রশ্রয়। মুখে তার ‘ভদ্র মহোদয়’, ‘ভদ্র মহোদয়া’ এসকল সহসা শোনা না গেলেও, ক্ষরস্রোতা নদী ‘পাহাড়ি ঝর্না’ হওয়ায়, ‘বাঁধানো পুকুর’ অথবা ‘সুইমিং পুল’ না হওয়ায় পরিচয়ে তাকেই…

সামিয়ানা

কখনো একটু ঘুম, একমুঠো ভাত, লজ্জায় একটু আড়াল শুধু নয়, ছুটে আসা বিপ্লব খেলা করে। একজন প্রেমিকের কোলে ছুড়ে দেয়া রুটিখেকো নয়; একখানি শীতল পাটির বুকে শীল-যোদ্ধার মোড়ানো দেহ, বঞ্চিত প্রেমিকের উঁচু মাথা, মুমুক্ষু কাঙালির শুভ্র সন্তান- অভুক্ত সেইসব পেট সবচেয়ে দামি। যে পৃথিবী মরা জোৎস্নায় ম্যাড়মেড়ে হতে হতে সামিয়ানা দিতে ভুলে গেছে, ভুলে গেছে রুটির আবাদ: এরকম-ধানক্ষেতে, মরুভূমি-নদী বুকে…

ফেরা

ভেঙে ঘুম রাতের গভীরে, স্মৃতিতেও ফেরে না যাযাবর। স্বপ্নের, মৃত্যুর, বিবিধের বোঝা বয়ে বয়ে, আরাধ্য নগরে অভ্যাসে অতৃপ্তি শুঁকে শুঁকে অনেকেই আসে স্রোত বরাবর! চোগলখোরির ঘেটু দরবার-গোখরার নাচ দেখবার খুচরো তো নেই! এছাড়াও দেখুন: সামিয়ানা বিজ্ঞাপন

বুনো কথা

তারা অত সাতে-পাঁচে নেই; ছাপোষা প্রেমিক তারা- জ্বলছে আগুন-তাই পুড়ছেন! রহস্য! শারলক, আপন শিশুরা বাড়ছেন হোমসে শুদ্ধ শাইলক তুমুল বেগে-ই ছুটেছেন শালিশে নালিশে। চব্বিশটি ঘণ্টা খোলা- চায়ের দোকানে তুড়িতে ত্বড়িত সমাধান! ‘কালাপানি, ওখানে রত্নেরা রপ্তানি হোক! এতো টিকটিকি রাখবো কোথায়?’ এইবার মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ নয় প্রেম-ই দেখান। অযথা প্রলাপ না বকে প্রেমই দেখান। তিন বেলা রুটি যারা ভালোবাসে, কিছুটা সময়…

প্রেম ও দহনের গল্প

লুটিয়ে পড়া সুখ মানে আজ মধ্যরাতের আলিঙ্গন। সম্মানিত সুখ মানে আজ খণ্ডপ্রেমীর ভরণপোষণ। সুখ মানে আজ হঠাৎ ছুয়ে ইচ্ছেমতো পালিয়ে যাওয়া, সুখ মানে আজ হঠাৎ শুয়ে ইচ্ছে পাপীর সতীপনা। প্রেমিকের তাই রুটিনমাফিক মিছিলে যেতে ইচ্ছে করে না আর। বড় বড় মানুষের দাপ্তরিক শ্লোগানগুলো, গৎবাঁধা বক্তৃতা গ্রামোফোন রেকর্ডের নাকি সুর কান্না মনে হয়। যদি অন্তর কাঁদে ঠিকঠাক, ঠিকঠাক হাহাকাওে, স্পন্দনে, সত্যি…

লাখ জীবনের দ্বন্দ্ব

মাঝে মাঝে পত্র দিয়ো, খোঁজখবরে আদান-প্রদান মিলিয়ে নিয়ো। বাসতে যদি না চাও ভালো, না-ই বা ছুলে। কিম্বা যদি মুখের আদল, অনেক অপছন্দ, হঠাৎ যদি হয় মনে “সে এক গিরিখাদ মন্দ” মন্দ করে-ই লিখলে না হয় চিঠি। জানতে যেন পারি, আজ আমাদের কিছুই না থাক, তবুও আছে লাখ জীবনের দ্বন্দ্ব। দিলে দাও আগুন কাঁটা না দিলে নাই, মশালের মত্ত আগুন যাক,…

কবিতার মৃত্যু আমার সাথে

কবিতার কোনো শর্ত নেই, খেতে কি পড়তে চায় না, গাছেরও শর্ত আছে জল হাওয়ায় বাড়ে, নতুন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে দাঁড়িয়ে শৈশব মরে বেঁচে যায়। কবিতার মৃত্যু আমার সাথেই হোক, অথচ হারিয়ে যাওয়া পুরোনো কবিতাগুলি সার হয়ে মিশে গেছে, আমার আগেই। কবিতা, একটু দাাঁড়াও আমিও গাছের খাদ্য হবো, মাশরুম চাষ হবে আমাদের ভষ্মে ও পচানো জৈব সারে। একটু অপেক্ষা করো, একটু…।…

error: Content is protected !!