Category

সকল কবিতা

কবি তন্ময় সাহা এর সমগ্র লিখনি পেতে আমরা আছি আপনার সাথে। কবি তন্ময় সাহা রচনা সমগ্র দেখুন এবং পড়ুন।

চাষ

ভেসে যাওয়া তুমি-ও ঢুকে পড়ছো অথচ লবন-চাষীরা এখনো কোন বাঁধ দিচ্ছে না কেন? অতীত ঢুকে পড়ছে জলোচ্ছ্বাসের স্রোতে… প্লাবনের জল উবে গেলে লুফে নিতে লবন চাঙর ছোট বড় কূপগুলো খোঁড়া আছে মনে, এমনকি চোখেও! হায়! এই আসমুদ্র বিস্তৃত অঞ্চল, তাকে ওভাবে ভাসানো, প্রবল জলোচ্ছ্বাসে-ছাঁকনের নামে এইসব লবনের চাষ। আরো জানুন: জলধি আধারে বিজ্ঞাপন

জলধি আধারে

আবারো, পূর্ণিমায় ধ্বণি দিলো কারা? দিশাহারা পাখিকুল নীড়ে ফেরো। নিভে গেলে পূর্ণিমা চাঁদ হয়তো ধরায় আর ফেরা হবে না! কুলে কুলে কামনার কালি: এইবেলা ধুয়ে ফেলো সাগরের জলে। জ্বালা ধুতে জলধি আধারে এইবার না যদি ফেরো, হয়তো এভাবে আর শিশুরাও কোলে নেবে না। আরো জানুন: সুখী হও বিজ্ঞাপন

সুখী হও

কার তুমি মিতভাষী প্রেম? ‘নিবিঢ় আলিঙ্গন’ কার কার ধূতরার রস! তবুও অবাক কেউ; মজে প্রেমে কারো কারো অঙ্গ অবশ! ‘না’ বলায় সুখ নেই কারো! উদাসী উটের চিবানো যে ক্যাকটাস তার-ই মতো জীবনের স্বাদ: প্রেমে জ্বলে আরো ঝলসানো- জলন্ত প্রেম নাকি মিতভাষী? বেশ, তবে তাই হোক! করা যাক হেমলক পান। সুখ ক্ষয়ে ভেসে যাক যৌবন বাঁধ; বেশুমার অপবাদে আপাততঃ প্রেম তুমি…

স্রোত নয়

রমণীয় শাড়ি নয় হাটুরের দলে থাকা ঝাঁকা মুটে নারী, শ্রমিকের শাড়ি: গোড়ালির গা বেয়ে নামে না। বেনারসি নয়, শ্রমিক শাড়িটা তার ভেজালে চলে না। যতটুকু ঘামে ভেজা শুকোতে শুকোতে লাগে কয়েকটা গ্রীষ্মের রোদ! এভাবেই রমণীও পার হয় হাঁটুজল-নদী। হাঁটুজলে বড়জোড় জঙ্ঘা সমান সেও; জরুরী কাপড় সে কখনো ভেজায় না; এইখানে আছে তার চিরচেনা জলের আড়াল! গোড়ালি-হাঁটু, হাঁটু থেকে জঙ্ঘা অতোটা…

সত্ত্বাধিকার

যখন ব্যক্তি ‘ব্যক্তি’ হয়ে ওঠেনি এবং আধুনিকায়নের আগে, প্রেম বলে কিছু ছিল কি! ‘আমাদের’ থেকে ‘আমাকে’ আলাদা করা যায়নি তখনো। আত্মা থেকে শরীর, মানুষ থেকে জগত: প্রকাশ্যে আলাদা হতে হতে, সমাজ ও রাজ্য ফুঁড়ে রাষ্ট্রেরা একে একে উঁকি দিলো- নব্য এ উঠানে রাষ্ট্রেরা ক্রমশঃই ব্যক্তিক হয়ে এলে। একদিন তুমিও সম্পত্তি হয়ে গেলে… আরো জানুন: স্রোত নয় বিজ্ঞাপন

অযৌক্তিক

কথা বিশেষ কিছুই নয়! কথা হলো খানিকটা মুক্তক- নিশ্বব্দে সরীসৃপও এসে যায় যেনো। এমতাবস্থায়, অনেকেই আমাকে রুটিন মাফিক মৃত্যুচিন্তায় ডুবে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন স্বর্গ, নরক, যম ও জামানত নিয়ে এখন থেকে যেন একটু বেশী করেই ভাবি। বলা তো যায় না! সে কথাতো বিশেষ কিছুই নয়! “গতকাল পর্যন্ত যারা মরেছিলো এবং কাল যারা চলে যাবে, অথবা আজ আমি চাইলেই…

তৃষা

শেষবার উড়ে যাবার পর বিবাগী পাখিটাও জেনেছিলো, ‘ক্লান্তিরা ভর করে এলে পেলব ডানায় কোন এক ডালে বসে জিড়িয়ে নেয়াই ভালো।’ বনভূমি ছাড়িয়ে যখন সে সমুদ্র গালিচায়- যখন সে বুঝেছিলো, ‘আকাশ আর স্রোত মিলেমিশে যে ভাষায় কথা বলে ও’রকম ভাষা তার জানা নেই।’ নিদারুণ বনানী-তৃষায় তারপরও তখনো সে খুঁজছিলো ‘মরা কোনো ডাল আসে কিনা ভেসে!’ বনের তো দায় নেই মরা কাঠ…

শুভ্রতা তুই চলেই যখন যাবি

তুই খুঁজে নে ‘নতুন ব্যবচ্ছেদ’! অভয়ার সুতো ছিঁড়ে ফেলে ‘লাখ জনমের ক্ষেদ’, উগরে দিয়েই যা ! এইক্ষণে ভালোবাসা রাক্ষস মতে ’খুব বেশি খাঁটি’। আর কতো পাঁক ঘাঁটাঘাঁটি! কতো আর বিশদে প্রলাপ! এইবার জনমের মতো শুভবোধ: যদি মরে সেও- মরে যাক! এইবার জন্মের মতো মানুষের প্রেত ভুলে যাক টেনে নেওয়া প্রশ্বাস যতো; যায় যদি যাক রসাতলে! এই যদি যুগ হয়, সেই…

এঁটে বসা কুড়ুলের দাগ

জলে ভিজে নিভে গেছে জ্বলজ্বলে চাঁদ। এতো রাতে হিম হিম ত্রাসে ঘেরা ঘোর জঙ্গলে- কে কাঁদে! কাটা কাঠ কাঠুরিয়া ফেলে রেখে গেছে। যম দু’খে কম চেড়া কাঠ, এঁটে বসা কুড়ুলের দাগ, ছুড়ে ফেলা ডালগুলো: পচে গেছে। বন সে উজার হলো; কাটা গেলো গভীর শেকড়! কাঠুরিয়া চলে গেলে বেঁচে ফেরা গাছেদের ফিসফাস শুনে উচাটন-মন! পোকাগেলা কাঠ বুঝে গেলো,“এরপর সাহেবের কাঠগোলা নয়;…

অথচ তুমিও

মুখটা তোমার অমন শুকনো কেনো, ঝরা পাতা যেনো! কয়েদী আত্মা শুকিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত অথচ তুমিও- পড়ে আছো শুকোনো মুখের পিছে! তবুও অভিনন্দন! অভিনন্দন! মনে করে কিছু তবু জানতে চেয়েছো বলে! হয়তো এখনো তোমার-হৃদয় কিছুটা ভেজা হয়তো ইষৎ আদ্রও হতে জানে করুণায়! আরো জানুন: এঁটে বসা কুড়ুলের দাগ বিজ্ঞাপন

1 2 3 34
error: Content is protected !!