Category

Blog

Your blog category

অর্থনৈতিক

ব্যাচেলর/ বিবাহিত দুই-ই দুই প্রকার। জীবনে, ব্যাচেলর/বিবাহিত সকলই রূপক। ব্যাচেলরদের একপ্রকার তারা এখন নব্য বাল্যকাল শেষ করে রঙিন চশমায় দুনিয়া দেখছেন। প্রথম প্রকারের বিবাহিত তারাই যারা নব্য ব্যাচেলর জীবন শেষ করে কৃতার্থ করেছেন। দ্বিতীয় প্রকার ব্যাচেলর তারা যারা দীর্ঘকাল ব্যাচেলর থেকে অভ্যস্ত; এই মুহূর্তে পৃথিবীর কঠিনতম শুদ্ধতম ব্রতটি পালন করে সন্ন্যাসী হয়েছেন! বিবাহিতের দ্বিতীয় রকমেরা কেবল মনে মনে ভাবতে থাকেন…

আক্কেলগুড়ুম

আক্কেল দাঁতের সাথে আক্কেলের সম্পর্ক জানা গেছে। এ সম্পর্কিত জিজ্ঞাসাবাদে এলাকার মুরুব্বিরা জানান, সম্পর্কে আক্কেল দাঁত আক্কেলের চাচাতো ভায়রা হন। আক্কেলের শ্বশুর আক্কেলদাঁতের শ্বশুরের আপন ভাই ছিলেন। লোকমুখে শোনা যায়, শরিকানা বাস্তুভিটা নিয়ে কাইজ্জ্যা করে আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। পৃথক হবার পর আক্কেলদাঁতের শ্বশুর যদিও মোড়ের মুখেই রয়ে গেলেন, আক্কেলের শ্বশুর মোড়ের মাথায় গিয়ে বাড়ি করলেন। মেয়েদের বিয়েশাদির পরও…

আসুন কাদা ঘাঁটুন

পুকুর সেঁচে আমোদের মাছ-ধরা হলে মাখোমাখো অনেক মানুষ একসাথে কাদায় নামেন। বেড়াজালে বেড়া দেয়া হয়; মাঝে তার লক্ষ মাছের লম্ফ এখানে থামে। থামে মাছ ও মানুষ। পোকার মতন কিলবিলে মাছেদের ঝাঁক, কাদার খলবল, মানুষের কোলাহল, কোলাহল ডানে-বামে- আধুনিক কাদা সেঁচা মেশিনের ঘর: রাতভর যন্ত্রণা-সেঁচা কাদা জমে যায়- সব মাছ ধরা হয় না। সব মাছ ধরে না মিছিল। কিছু মাছ হাড়িতেও…

পীড়িত

মাইয়াডা যাবার চায়নি; পোলোডাও যাবার চায়নি- মেয়েটা যেতে চায়নি; ছেলেটাও যেতে চায়নি তবু ভালো না বেসেই ভিন্ন ভিন্ন পীড়িতের ঘর তাদের হয়েছিল-ভিন্ন ভিন্ন লোকে খুবলে নিলে পিনদোনের লুঙ্গি, শাড়ি-পুঙ্গার তলে একে একে ডজনখানেক ছানাপোনা দেখা গেল। দিন কতক ডিমে তা দিয়ে তারা ভুলে গেল, ‘পিরিত নামেও কিছু ছিল।’ সবশেষে, মেনে নিল ‘প্রেম না, মরার গতর হল; সত্যি… বাকি সব সামাজিক…

থ্যবড়ানো সংস্কৃতি

কী এমন সংস্কৃতির দায়ে গুণীদের চুপচাপ বসবাস; কারো কারো মাথা থাকে না? যার যার মাথা থাকে চোখ থাকে অন্য মাথায়? থাকে তো থাকুক চোখ হৃদয় বা কেন! হৃদয় বদলে গেছে থ্যাবড়ানো কাদায়! পেটের বেলায় শুধু একে খেলে অন্যের পেট ভরে না! নারকেল মালাই মাথা, প্যাঁচপেঁচে গুবরে ঘিলু, ক্যাঁতকেতে প্যাঁক-কাদা হার্টগুলো বয়ে নিয়ে অনেকেই নাইতে নেমেছেন। কারো প্রসংশায় যখন কেউ পঞ্চমুখ…

মিঠেকড়া উত্তাপ

‘বাহ্! সভ্য হতে বেশ বেঁধেছো গলায় গলাবন্ধ! কণ্ঠ থেকে স্বর বেরুবে কবে?’ প্রশ্ন ছিল ‘মনের জ্বালায় নিত্য যখন জ্বলো! ঠিক বেঠিকের হিসাব হবে কবে? তোমার থালা তোমায় দেবে কবে?’ হেলানো রোদ্দুর হয়ে ‘আলো’ আসবে; মিঠেকড়া উত্তাপ সাথী করে ‘আলো’ আসবে; একদিন জীবনের ‘নতুন আলো’ আসবেই… – ‘আইবোই? – হয় হয়, আর আইছে! – হ, আইবোই! দেইখো মিয়া, দেইখ্যা লিও!’

নস্যিতে আস্থা রাখুন

এক ফালি জমি তিনি বেচবেন! বেচবেন ভিটে! বয়ে নিয়ে ফাইল-তিনি এলেন। ভালো মানুষের পাশে ছিল সর্বজ্ঞ পন্ডিত। বিক্রেতা আবেগী বস্তাটা রাখলেন টেবিলের পরে। অগাধ আস্থায়- ‘এই হলো কাগজপত্রগুলো! কী ধারণা বলুন।’ দিস্তা দিস্তা কাগুজে পাহাড় খুলতে খুলতে তিনি বললেন- ‘এই হলো কাগজ। না বললে শুনছি না, ভায়া।’ তখনই সর্বজ্ঞ ডানা মেলে ধরলেন। ‘ বলেন কী! কাগজ এবং পত্র! কারো কোনো…

প্রেম প্রস্তাব নাকচ

শোনো, মন চাইলে রাঙিয়ে নেবো রঙে। না চাইলে ঢঙ্গি সাদামাটা। বন্ধ করো বুকের কুলুপ আঁটা। মনের মাঝে সদর দরজাটা থাক না খোলা। ছোট্ট বাসর ঘরে ‘খাওয়ার আগে কিংবা খাওয়ার পরে কী কী করা উচিৎ’, জেনে নিয়ো। এরপর চুমু দিতে হলে নিজে এসো, মশা পাঠিও না। পত্রমারফত প্রেরিত প্রেম প্রস্তাব নাকচ করা যেতে পারে।

সফল আলোচনা শেষে

সব এজেন্ডা আলোচিত হয়েছে; সকলে একমত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। অনেক অনেক প্রাপ্তি রয়েছে। রয়েছে: আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি, ডেডলাইন… বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে নাগরিক। বহুদিন পর- বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত। আরও বহুদিন পর- যতই বুড়ো হও দাদাঠাকুর তোমায় তেপান্তরের মাঠই দেখাবো; কেবল দৌড়োবে তুমি…  

error: Content is protected !!