সুনির্বাচিত চুলকানি সমগ্র- লিখছি

লিখছি কীভাবে পণ্য হয়ে ওঠা যায়। অধ্যবসায়ীরাই ধারাপাত শিখতে পারবেন; বাকিরা ইতিহাস হবেন, হয়তো। অতএব, আমিও পারসেন্ট মাফিক এ তল্লাটে প্রাচীনকাল থেকে এ পর্যন্ত যত মানুষ্য কর গুনে এসেছেন তাদের মতো করে তোদেরকে আমার ফিউনারেলে দাওয়াত দিচ্ছি। কেননা, আমি দেখছি আমার ঘর এবং দূয়ার মানেই পলাতক দাস। আমি দেখছি আমি মাত্রেই পুরাতন ভৃত্য, আমি মাত্রেই চলন্তিকা: অভ্যাস। আমি দেখছি নিভৃতে…

তোমার তো অজানা নয়

এমন নিস্তরঙ্গ ঠোঁট আমি চাইনি, অন্তত দু’বার কাঁপুক। ক্রমশ গোল, ক্রমশ সরু হয়ে আসুক। যে সকল ঘুম খুব বেশি গাঢ় নয় সেখানে চোখের পাতা যেরকম কাঁপে, একবার তেমনই নাহয়, কাঁপুক সে ঠোঁট। খুব বেশি আবেগ, যেমন শিশুদের দেখি- দেখাদেখি একবার কেঁপে ওঠো তেমনই নাহয়। আবেদন খুব বেশি নয়- অন্তত দুইবার কেঁপে ওঠো ঠোঁট। আমাদের অক্ষম চোখ কিছুদূর দেখে, বহুদূরে দেখে…

পটভূমি ও রহস্য সম্যক

আমার জরুরী ঘুমে ব্যাধি ও অবসাদ আছে, জ্বরা আছে, মৃত্যুও আছে তা সত্ত্বেও সম্ভবত একটি অথবা দু’টি বালিশ কিম্বা কুশনের জন্যই আমি ঘুমাতে পারছি না। মেরুদণ্ডের ক্ষয়রোগে বাঁকা হয়ে শোবার আগেই অভ্যাস যখন বশ করেছিলো, তখন থেকেই চাইতে শিখে গেছি পাশবালিশও। আরও জেনো, আমি কোন রহস্য অথবা তুতেনখামেন নই। আর, যারা যারা খাটে শোয়: খাট থাকে মাটিতে; যারা যারা খাটিয়াতে,…

ন-চৈতন্য

মন যখন শরীর থেকে আলাদা হয়ে চক্রাকারে ঘুরতে থাকে: একবার হয়েছিল সেরকম; তখন আর বাঁচতে ইচ্ছে করেনি। এর আগেও বহুবার আমি চক্রাকারে ঘুরেছি কন্যাকুমারীর পাদদেশে, ধানগুলোকে রাখতে চেয়েছি গোলায় (এবং আগাম); তারপর-তো, মন-ই চাইলো না আর। চক্রভেদ শেষে ক্রমশঃ হালকা হয়ে একবার তো দেহটাই উড়ে যাচ্ছিল… সেবারে ডালপালা ধরে আটকেছি; এবারের দেহটা পচে যাচ্ছে।  

কিঞ্চিৎ লোভনীয়ই বটে

ভালোবাসার বানিজ্যিক চাষ-ও হচ্ছে? ভালোবাসা, ইদানীং কিছুটা হাইব্রিড; হ্যাঁ, এওতো ভালোই: প্রেম এবং অন্ধত্বের ক্রসিং, এছাড়া হামেশাই প্রতিশ্রুতির সাথে মিশছে তো ‘মডগেজ’-ও। ‘ভালোবাসা’: ওগুলো এখন আরও বড়, আরও রসালো, অত্যন্ত সুস্বাদু এবং আশ্চর্য মোড়কে আপাদমস্তক মোড়া! Download PDF বিজ্ঞাপন

তৃতীয়ার প্রেম চতুর্থীতেই নেই

(১) সুখ তো নাতিশীতোষ্ণই; উত্তাপে বিচলিত হই অথবা শীতল কোন স্নায়ুযুদ্ধে নিয়ত কাঁপি। (২) আবারও না খাওয়া ছেলেরাই শুধু শুধু মার খেল। ঐ, খাবারে নজর… আবারও! বেনিয়াদের বোঝানো গেল না: না-খাওয়ারা চেয়ে থাকলেও বেনিয়া গতর শুকায় না, ওসব কুসংস্কার। (৩) হ্যাঁ, তাকাচ্ছিলাম আমিও চেয়েছিলাম অযথাই। মনে মনে কামনাও করেছিলাম: কোমর ও তার কোন এক অচেনা ঢেউ। আমি জানতাম: তুমিও ও’রকম…

না-প্রেমে অলংকৃত

প্রণয় মাত্রেই প্রেমিকার অস্তিত্ব যেন থাকবেই! মুখ্যত দ্বিতীয় কোন ব্যাঞ্জন ছাড়া স্বাদগ্রন্থি কখনোই বলেনি, ‘স্বাদমতো সঠিক লবন’ যুক্ত-ই ছিল’ অথচ চামড়া বলছিল, ‘জ্বলছে!’ অতএব ক্ষত ছিল, নিশ্চিত। এরকম ভাষাও তো ‘শিহরণ’; ওতে কোন প্রেয়সী কি, লাগে? জেনে যাও,‘আলিঙ্গন ছাড়াও সুখ আছে’, জেনে যাও, ‘যে সকল সুখ নিয়ে কথা হচ্ছিল আমাদের…’ জেনে যাও, ‘যে সকল লালসাদের লালন করার কথা ছিল…’ :…

প্রতিটি মানুষ এক একটি টর্চার সেল

ওহে, তোমার কি কিছু আর অজানা; ভায়া… ভালোই রয়েছে স্নায়ু, বার গুণে প্রতিদিনই বারবার মরি; একদিন প্রকৃতই মরে যাবো বলে। মনের অসুখ হলে ‘কালো বেড়ালের চোখ নাকি দেখা যায়? যারা যারা জানে না এখন নাহয় জেনে নিক তারা, ‘দিশেহারা হলে ঠিক কীরকম লাগে!’ দুই কিম্বা বেলা তিনের ইষৎ আহারে, খানিকটা অপূর্ণ উদরে- কিঞ্চিৎ ভোজনে, অত্যন্ত মনোহর যাকিছু স্ব-চেতনে, ঢের বেশি…

ইতস্ততঃ ও অপূর্ণ খবর

কিভাবে যে হলো, এলোমেলো! লোকে বলে কুকুর করেছে। কুকুরগুলোকে ও পালতো! নাকি রাস্তার কুকুরে-ই… : শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়নি। Download PDF বিজ্ঞাপন

পাথরের আকারে

ফল এবং ফলাফলের ফারাক বিস্তর। ডুবে থাকা পাথরটা কেমনইবা… যেমন রূপে একদিন পাথরটাকে ডুবে যেতে দেখেছিলে: ডুবে যাবার পর থেকে মাটিমাখা পাথরটা স্থবির- এখন সে ভাবছে খরস্রোতা কোন নদীতে ডুবলে ভেঙে গুড়িয়ে যাওয়া ছাড়াও পরিনামে আরও কী কী হতে পারত; এখনো কি, গুড়িয়ে সে যায়নি ভেতরে ভেতর? আহা! কতদিন হয়নি সাঁতার কাটা। Download PDF বিজ্ঞাপন

1 2 3 46

এখানে তন্ময় সাহা এর 457 টি কবিতা পাবেন

error: Content is protected !!