ওয়াও! আর্টিস্টিক।

হোরাসের চোখ By 1 week ago No Comments
5
(2)

ওয়াও! ভর্তা বানানোর রেসিপিটা এইমাত্র হাতে পাওয়া গেল: ইনগ্রিডিয়েন্ট বিশেষ কিছুই নয় হাতের আঙ্গুলের চেয়েও ছোট ছোট বেশ কিছু তেলাপিয়া- কচি কচি তেলাপিয়ার সুস্বাদু ভর্তা!

ভর্তায় মাথা আর মেরুদ-কে অবশ্যই বাদ দিয়ে দিতে হবে। বাদ যাবে লেজও, আর বাদ যাবে যে কোন প্রকার কাঁটা। প্রকৃত সুসভ্যের জন্য প্লেট সাজানোর নিয়ম হলো: প্রয়োজনীয় মাংসের হাড়গুলো শোভা পেতে পারবে কিন্তু, কোন প্রকারেই মাছের কোন কাঁটা পাতে পড়া চলবে না! ভর্তাকে হতে হবে মিহি এবং অতীব মোলায়েম!

মুলতঃ সিদ্ধ করাটা: এক প্রকার আর্ট। যতক্ষণ লবণ হলুদ মাখানো মাছের ছাল চামড়া খসে পেশীগুলো ছড়ে না যাচ্ছে ততক্ষণ চলতে থাকবে এই সিদ্ধকরণ, এক্ষেত্রে উত্তাপ কোন বিষয়-ই নয়। চাইলে হৃদয় দিয়েও দিতে পারা যায় উপযুক্ত উত্তাপ!

কাঁটা বাছাই-আরও এক প্রকার আর্ট! নেপোলিয়ন বেনাপার্ট অথবা আওরঙ্গজেব যেমন করে কাঁটাদের বাছাই করতেন ঠিক তেমন করে বেছে নিতে হবে অবশিষ্ট কাঁটাদের। একটি মোলায়েম ভর্তা কীভাবে তৈরী হতে পারে, জানা চাই।

ওহ্! ভালো কথা! চার পদের ঝাল এতে দিতে পারা যায় যথা শুকনো, কাঁচা, গোলমরিচ এবং আদা। অবশ্য দিতে হবে কাঁচা পেঁয়াজ ও কাঁচা সরিষা বাটাও, এগুলোই ঝাঁঝকে বাড়ায়। সবশেষে একফালি লেবু চিপে লবণ দিতে হবে স্বাদমতো এবং অবশ্যই সরষের তেলে ভেজা ভেজা করে দিতে হবে সম্পূর্ণ ভর্তা।

অবশ্যই, অত্যন্ত দরদ দিয়ে মেখো!

Download PDF

বিজ্ঞাপন

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 5 / 5. Vote count: 2

No votes so far! Be the first to rate this post.

Author

তন্ময় সাহা(১৯৮৩)–জন্ম বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসাবে খ্যাত কুষ্টিয়া জেলায়, কুষ্টিয়ায় বেড়ে ওঠা, শৈশব কেটেছে, কৈশোরেও তার কুষ্টিয়া আর গড়াই নদীর মাখামাখি। তারপর লেখাপড়া ও কর্মসূত্রে বহুদিন ধরে খুলনায় বসবাস। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োটেকনোলজি এন্ড জিনেটিক ইন্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক, বায়োটেকনোলজিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা হতে। এরপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্সিকিউটিভ এমবিএ (এইচ আর এম) সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও তিনি ‘দি ফ্লেচার স্কুল অফ ল’ এন্ড ডিপ্লোম্যাসি; টাফ্ট ইউনিভার্সিটি কর্তৃক ডিজিটাল ফিন্যান্স প্যাকটিশনার হিসাবে সনদপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি উপপরিচালক হিসাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনায় কর্মরত আছেন। লেখালিখি চলেছে বিক্ষিপ্তভাবে, শখে, আদিষ্ট বা অনুরুদ্ধ হলে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যুক্ত ছিলেন নাট্যদল ‘থিয়েটার নিপূণ’ এবং বিজ্ঞান পত্রিকা ‘বায়োটকের’ সাথে। বই, বাংলা সাহিত্য হলো তার ভালোবাসা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া প্রতিযোগীতায় স্কুল পর্যায়ে পাওয়া সার্টিফিকেট আর উপহারে পাওয়া বইগুলোকে আজও অতি যত্নে রেখেছেন, নিজস্ব বুকসেলফে। মুলতঃ কবিতা লেখার শখ, টুকটাক গদ্য লেখারও চেষ্টা চলে। বিভিন্ন সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত কবিতাগুলি সহ সোস্যালমিডিয়া, টুকরো কাগজ আর ডাইরিগুলোর পাতা থেকে অদুর অতীতে লেখা নিজের পছন্দের বেশ কিছু কবিতা মলাটবন্দী করে, আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন হোরাসের চোখ, বিবিধ ঘোড়সওয়ার ও কালো মেম কাব্যগ্রন্থে।

No Comments

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!